ভারতে বছরে লক্ষ লক্ষ টন  ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে

বিশেষ প্রতিবেদনঃ  লকাতা শহরতলীর সংগ্রামপুর নামে একটি গ্রাম।  ইলেকট্রনিক বর্জ্য ভাঙার প্রধান একটি কেন্দ্র। প্রতিবছর আশপাশের এলাকা থেকে কয়েক হাজার টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয় ওই গ্রামে। বর্জ্য সংগ্রাহকরা তাদের ঘাড়ে থলিতে ভরে এসব বর্জ্য বহন করে নিয়ে যায়। পরিত্যক্ত এসব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম খুলে এর যন্ত্রাংশগুলো বের করে নেওয়া হয় এবং কলকাতায় রাস্তার পাশে ছোট ছোট দোকানে এগুলো বিক্রি হয়। শহরে ব্যবহৃত জিনিসপত্রের খুবই জনপ্রিয় বাজার হল চাঁদনী চক বাজার- সেখানে ওয়াই ফাই রুটারের তার থেকে শুরু করে পুরনো ফেলে দেওয়া ভিডিও ক্যামেরাও কিনতে পাওয়া যায়। ফেলে দেওয়া কম্প্যুটার মনিটরের পিকচার টিউব ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে কম দামী টেলিভিশন সেট তৈরি করার রেওয়াজ রয়েছে যেগুলো বিক্রি করা হয় চাঁদনী চক বাজারে। এখানে ডিভিডি ড্রাইভ খোলার জন্য স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ভারতে প্রতিবছর ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে দুই লাখ সত্তর হাজার টন। মানুষ পুরনো মডেলের টেলিভিশন, কম্প্যুটার এবং স্মার্টফোন ফেলে দিয়ে যখন নতুন মডেলের জিনিস কেনেন তখন এসব ই-বর্জ্য তৈরি হয়। সংগ্রামপুর গ্রাম এধরনের ই-বর্জ্য ভাঙার মূল কেন্দ্র। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই চলে ফেলে দেওয়া টিভি সেট, কম্প্যুটার আর মোবাইল ফোন ভাঙার কাজ। ই-বর্জ্যের স্তুপ নিয়ে বসে আছেন গ্রামের এরকমই একজন কর্মী হাকিম নস্কর।  সংগ্রামপুরে গেলে দেখা যাবে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ির উঠানে  আছে পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের স্তুপ। গ্রামবাসীরা বলেন এসব ই-বর্জ্যকে ঘিরেই চলে তাদের জীবন। এই বাড়ির উঠানে পাহাড় করে রাখা আছে পিসির মাদারবোর্ড। গ্রামে মাটির বাড়ির সামনে বসে ই-বর্জ্য বাছাই করছেন ১৫ বছরের কচিমুনি। পরিবেশবাদীদের মতে এসব বর্জ্য প্রায়শই বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে থাকে এবং যারা এসব ঘাঁটাঘাঁটি করে এগুলো তাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। একদিকে সচেতনতার অভাব, অন্যদিকে প্রায় নগণ্য বিনিয়োগের বিনিময়ে চড়া মুনাফার লোভে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন লোক এই কাজে যোগ দিচ্ছেন। 

 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কুফল, শিশুকিশোরদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ

বাচ্চারা তাদের মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট নিয়ে খুব বেশি সময় কাটাচ্ছে সম্প্রতি একদল মার্কিন শিশু কল্যাণ বিশেষজ্ঞ ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কাছে একটি চিঠি লেখেন। এতে তারা ‘মেসেঞ্জার কিডস’ নামে বাচ্চাদের মেসেজিং অ্যাপটি বন্ধ করে দেবার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ১৩ বছরের কম বয়েসীদেরকে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করারটা দায়িত্বজ্ঞানহীন।  তারা তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন যে সামাজিক মাধ্যমের কারণে কিশোরকিশোরীদের মানসিকতায় অস্বাভাবিক সব পরিবর্তন হচ্ছে, ১০ বছরের মেয়েও তার দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছে। ডাক্তার রঙ্গন চ্যাটার্জী বলছেন, তিনি একবার ১৬ বছরের একটি কিশোরকে রোগী হিসেবে পেয়েছিলেন – যে তার নিজের হাত-পা কাটার পর তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হয়েছিল। “আমি প্রথমে ভেবেছিলাম তাকে বিষণ্ণতা-রোধী ওষুধ দেবো। কিন্তু আমি তার সাথে কথা বলার পর মনে হলো, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করায় তার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।” ২০১৭ সালে রয়াল সোসাইটি অব পাবলিক হেলথ একটি জরিপ চালায় ১১ থেকে ১৫ বছর বয়স্ক দেড় হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর। এতে দেখা যায় স্ন্যাপচ্যাট এবং ইনস্টাগ্রাম তাদের মনে সবচেয়ে বেশি হীনমন্যতা এবং দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করে। ১০ জনের মধ্যে ৭ জন বলেছে ইনস্টাগ্রামের কারণে তাদের নিজেদের দেহ নিয়ে মন খারাপ হয়েছে। ১৪ থেকে ১৪ বছর বয়সের তরুণতরুণীদের অর্ধেকই বলেছে ফেসবুকের কারণে তাদের মানসিক দুশ্চিন্তা ও অশান্তি বেড়ে গেছে।  দু-তৃতীয়াংশ উত্তরদাতা বলেছে, ফেসবুকের কারণে সাইবার বুলিইং বা অনলাইনে অপমান-হয়রানি করার প্রবণতা আরো গুরুতর আকার নিয়েছে।

 

এশিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্মেলন  

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিনঃ আগামী দিনের সাংবাদিকতা পুরোটাই হবে মোবাইল-নির্ভর। এশিয়ায় নতুন ধারার এই সাংবাদিকতার জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলছে। মোবাইল ডিভাইসনির্ভর এই সাংবাদিকতার সঙ্গে সনাতনী গণমাধ্যমের একত্রীকরণ হওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই। এশিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক মোবাইল সাংবাদিকতা সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন কনরাড এডেনাউর স্টিফটঙ্গ (কেএএস) মিডিয়া প্রোগ্রামের এশিয়া পরিচালক ক্রিস্টোফ গ্রাভটিজ।   আগামী দিনের সাংবাদিকতা পুরোটাই হবে মোবাইল-নির্ভর। এশিয়ায় নতুন ধারার এই সাংবাদিকতার জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলছে। মোবাইল ডিভাইসনির্ভর এই সাংবাদিকতার সঙ্গে সনাতনী গণমাধ্যমের একত্রীকরণ হওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই। এশিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক মোবাইল সাংবাদিকতা সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন কনরাড এডেনাউর স্টিফটঙ্গ (কেএএস) মিডিয়া প্রোগ্রামের এশিয়া পরিচালক ক্রিস্টোফ গ্রাভটিজ। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মোবাইল সাংবাদিকতা সম্মেলন। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের নোভটেল হোটেলে এই সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনের উদ্যোক্তা কনরাড এডেনাউর স্টিফটঙ্গ (কেএএস) মিডিয়া প্রোগ্রাম।এশিয়ায় এই সম্মেলনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে ক্রিস্টোফ গ্রাভটিজ বলেন, ‘ইউরোপে আমরা যখন প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করছি, তখন এশিয়ায় প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটছে। এই অঞ্চলে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপারদের সংখ্যা বেড়ে চলছে। এশিয়ায় অনেক গণমাধ্যম পুরোপুরি স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছে না। তাদের জন্য মোজো (মোবাইল জার্নালিসম) একটি সমাধান হতে পারে। সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এমন একটি সময়ে মোবাইল সাংবাদিকতার আবির্ভাব ঘটেছে, যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মূলধারার গণ মাধ্যমের ওপর প্রভাব ফেলছে। মানুষ তাঁর হাতের মোবাইল ফোন দিয়ে সহজেই মানবিক ঘটনা, তাৎক্ষণিক ঘটনা বা ব্যক্তি-বিশেষের সাফল্যের গল্প তৈরি করতে পারছেন। এই গল্প তাঁরা পৌঁছে দিতে পারছেন বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে।‘এশিয়ায় মোবাইল সাংবাদিকতা: প্রতিকূলতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন বিবিসির সাংবাদিক রিজিনি ভাইদিআনাথান, মিডিয়া উদ্যোক্তা হেলেনা সাইদ, এআরইউ নিউজের সাংবাদিক রাবিয়া নুর, এনডিটিভির সাংবাদিক উমাসংকর সিং প্রমুখ। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে মোবাইল সাংবাদিকতা নিয়ে থাকছে মোট ১১টি কর্মশালা, মাস্টারক্লাস ও প্যানেল আলোচনা। এশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত মোবাইল সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা এই সেশনগুলো পরিচালনা করবেন। এ ছাড়া মোবাইলে ভিডিও সম্পাদনার জনপ্রিয় অ্যাপ কিনেমাস্টারের ওপর থাকছে আলাদা কর্মশালা। সম্মেলনে  ৩০টির বেশি দেশের প্রায় ২০০ অংশগ্রহণকারী উপস্থিত হয়েছেন।

বাড়ির বাগানে বিমান থেকে ছিটকে এসে পড়ে একটি মৃতদেহ

লন্ডন: লন্ডনের দক্ষিণে ক্ল্যাফাম এলাকা। এখানে একটি বাড়ির বাগানে বিমান থেকে ছিটকে এসে পড়ে একটি মৃতদেহ লন্ডনের দক্ষিণে ক্ল্যাফাম এলাকার একজন বাসিন্দা রবিবার বিকালে তার বাড়ির বাগানে রোদ পোহাচ্ছিলেন। বিকাল আনুমানিক পৌনে চারটার দিকে তিনি তার চোখের সামনে যা দেখলেন তা তার কল্পনারও অতীত ছিল। তার মাত্র কয়েক গজ দুরে আকাশ থেকে ধপ করে একটি মৃতদেহ এসে পড়ে। রক্তে ভেসে যায় তার বাগানের একাংশ। পুলিশ জানাচ্ছে, হিথরো বিমানবন্দর-গামী কেনিয়ান এয়ারওয়েজের একটি বিমান থেকে মৃতদেহটি এসে পড়েছে। যে বাড়ির বাগানে মৃতদেহটি পড়েছে, সেটির পাশের বাড়ির বাসিন্দা বলেন, হঠাৎ ‘ধপাস’ করে পতনের জোর একটি শব্দ শুনে দোতলার জানালা থেকে বাইরে তাকিয়ে পাশের বাড়ির বাগানে একটি মৃতদেহ দেখতে পান। “বাগানের দেয়ালে ভরা ছিল রক্ত।”আমি দ্রুত বাইরে বেরিয়ে দেখি আমার প্রতিবেশীও বাইরে বেরিয়ে আসছে। ভয়ে কাঁপছিল সে।”ঐ ব্যক্তি, যিনি তার নাম প্রকাশ করতে চাননি, বলেন, তার এলাকার একজন ‘প্লেন স্পটার’ আকাশে একটি বিমান থেকে মৃতদেহটি পড়তে দেখেছেন । পুলিশ আসার প্রায় সাথে সাথেই ঐ ‘প্লেন স্পটার’ ঐ বাড়ির সামনে হাজির হন। তিনিই তখন বলেন, কেনিয়ান এয়ারওয়েজের একটি বিমান থেকে ঐ মৃতদেহটি পড়েছে। ঐ প্রতিবেশী বলেন, “দুই সেকেন্ড দেরী হলেই, মৃতদেহটি এমন এক জায়গায় পড়তো যেখানে কয়েকশ মানুষ ছিল। আমার দুই বাচ্চা ১৫ মিনিট আগেও বাগানে ছিল। “আমি হিথরো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছে প্রতি পাঁচ বছরে গড়ে এরকম একটি ঘটনা ঘটে।” মৃতদেহটি ছিল ‘বরফের দলা’ এত ওপর থেকে পড়লেও মৃতদেহটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়নি। ঐ ব্যক্তি বলেন, “মৃতদেহটি যে ছিন্নভিন্ন হয়নি তার প্রধান কারণ সেটিকে একটি বরফের দলার মত দেখাচ্ছিল।” পুলিশ বলছে, মৃতদেহের ময়না তদন্ত করা হবে। তবে তারা এই ঘটনার পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র দেখছেন না। কেনিয়ান এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, তারা তাদের বিমানটি পরীক্ষা করেছেন। কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের খোপের ভেতর একটি ব্যাগ, জল এবং কিছু খাবার পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ঐ ব্যক্তি ব্রিটেনে আসার জন্য নাইরোবি বিমানবন্দরে লুকিয়ে ল্যান্ডিং গিয়ারের খোপের মধ্যে গিয়ে উঠেছিল। দূরপাল্লার বিমান আকাশে ওঠার পর ল্যান্ডিং গিয়ারের খোপের ভেতরের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত নীচে নেমে যেতে পারে। সেখানে তখন দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। অবতরণের আগে চাকা খোলার জন্য ল্যান্ডিং গিয়ারের ঢাকনা খোলার পর মৃতদেহটি ছিটকে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্ধকারকে ভয় পায় এমন মানুষদের বানানো রূপকথা,পরকাল– বলেছেন স্টিফেন হকিং 

বিশেষ প্রতিবেদন:  পরকালের ধারনাকে রূপকথা বলে মনে করতেন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে নিয়ে নির্মিত “হকিং” নামের একটি প্রামাণ্যচিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেছিলেন হকিং। হকিং জানান,পরকাল বলে কিছু নেই এই ধারণা থেকেই নিজের পক্ষাঘাতগ্রস্ত শরীরের বিরুদ্ধে সারা জীবন ধরে লড়াই করে গেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন,“সারা জীবন ধরে অকাল মৃত্যুর হুমকির মধ্যে তিনি  জীবনযাপন করেছেন, তাই সময় নষ্ট করাকে ঘৃণা করতেন।” “হকিং” প্রামাণ্যচিত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এই তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী বলেছেন,মৃত্যুতে ভয় পেতেন না তিনি। প্রামাণ্যচিত্রটির প্রদর্শনী শেষে উপস্থিত দর্শকদের তিনি বলেন, অন্ধকারকে ভয় পায় এমন মানুষদের বানানো রূপকথা হল পরকাল। তিনি বলেন, “আমি মনে করি মস্তিষ্ক কম্পিউটারের মতোই মনের একটি কর্মসূচী (প্রোগাম), তাই তাত্ত্বিকভাবে কম্পিউটারে মস্তিষ্কের প্রতিলিপি তৈরি করা সম্ভব, আর এভাবে মৃত্যুর পরেও একটি জীবনকে ধরে রাখা যায়। তবে এখনও পর্যন্ত এটি আমাদের আয়ুষ্কাল ও সামর্থ্যের বাইরে আছে।” ৭১ বছর বয়সী বিজ্ঞানী  ছিলেন বিশ্ব সৃষ্টি ও ভৌত-প্রাকৃতিক নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা শীর্ষ বিক্রিত বই “অ্যা ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইম” (কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস) এর লেখক। মৃত্যুর কিছুদিন আগেই তিনি গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। ২১ বছর বয়স থেকেই দূরারোগ্য মটর নিউরন রোগে ভুগছেন তিনি। ওই বয়সে তাকে জানানো হয়েছিল আর মাত্র দুই কি তিন বছর বাঁচবেন তিনি। কিন্তু সব ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করে বছরের পর বছর ধরে তিনি বেঁচে ছিলেন।


 

৫জি সেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে ভোডাফোন

বিশেষ প্রতিবেদন: প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটছে। বিশেষত ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা যায় তা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা। আর তাতেই নিত্য নতুন আবিষ্কার ঘটছে। তেমনই গত বছরখানেক আগেও ৪জি নিয়ে মাতামাতি ছল গোটা বিশ্বে। কিন্তু আজ তা অতীত। ৪জি পিছনে ফেলে আরও উন্নত ইন্টারনেট ব্যবস্থা চলে আসল। দীর্ঘ গবেষনা শেষে ব্রিটেনে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ৫জি পরিষেবা। বাণিজ্যিকভাবে এই পরিষেবা চালু করল সে দেশের বিখ্যাত টেলিকম সংস্থা ইই। ৫জি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেমস নদীতে একটি নৌকা থেকে লাইভ স্ট্রিমিং করা হয় র‍্যাপার স্ট্রোমজি’র গান। ৪জি নেটওয়ার্কের চেয়ে অনেক দ্রুতগতি পাওয়া যাবে ৫জি-তে। কিন্তু এর সুবিধা পেতে নতুন ৫জি চলবে এমন স্মার্টফোন নিতে হবে ইউজারকে। জানা যাচ্ছে, প্রথম পর্যায়ে বেলফাস্ট, বার্মিংহাম, কার্ডিফ, এডিনবার্গ, লন্ডন এবং ম্যানচেস্টারে সীমিত পরিসরে ৫জি নেটওয়ার্ক আনবে ইই । সামনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটেনে ৫জি সেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে ভোডাফোনও।

এটিএম কার্ড ছাড়াও চোখের ইশারাতেই টাকা তোলা যেতে পারে !
ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন: আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় এটিএম থেকে টাকা টুলতে গেলে কি করতে হবে? আপনি মনে মনে গালাগাল দিয়ে একবাক্যে বলবেন, কার্ড সোয়াইপ করে। তাহলে উত্তর হবে একদম ঠিক। কোনও ভুল নেই এতে। কিন্ত, জানেন কি কার্ড ছাড়াও এটিএম মেশিন থেকে টাকা তোলা যেতে পারে ! অবাক হলেন বুঝি? টেকনোলজি এখন মানুষকে অনেক বেশী অ্যাডভান্স করে দিয়েছে। এখন সব মানুষ সহজেই কাজ সেরে ফেলতে চাই। যার জন্যে এটিএম থেকে কার্ড সোয়াইপ করে টাকা  তোলার ঝামেলা টুকুও আর রাখেনি। এখন আপনাকে শুধু মেশিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেই এটিএম থেকে টাকা বেরিয়ে আপনার হাতে চলে আসবে। ব্যাপারটা আশ্চর্যের মনে হলেও এটাই সত্যি। আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই এভাবে এটিএম থেকে টাকা তুলতে  পারবেন গ্রাহকরা। ভাবছেন এতে তো যে কেউ টাকা তুলে আপনার অ্যাকাউন্টের টাকা হাপিস করে দেবে। তবে বলে রাখি এরকমকোনও কিছু হওয়ার সম্ভবনা এতে নেই।

অজানা গ্রহের সন্ধান দেবে নাসা

 বিশেষ প্রতিবেদন:  এবার হাজারেরও বেশি অজানা গ্রহের সন্ধান দেবে নাসা৷ ২০১৮ সালের ১৮ এপ্রিল নাসা লঞ্চ করেছিল গ্রহ সন্ধানকারী ডিভাইস,TESS (Transiting Exoplanet Survey Satellite)৷যেটিতে সহয়তা করেছিল Space X Falcon 9 রকেট৷ সম্প্রতি, TESS গবেষকরা একটি আনুমানিক ধারণা সামনে আনেন৷ তাঁরা জানান, দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা মিশনে ডিভাইসটির (TESS) মাধ্যমে দশ হাজারের বেশি গ্রহের খোঁজ পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে৷ খবরটি সামনে আসার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বেশ কৌতুহলী হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ৷ আর এরই মধ্যে দুটি বড় গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে আরেক সৌরজগতে এই দুটি বড় গ্রহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই আবিষ্কার যুগান্তকারী। তবে আবিষ্কার হওয়া এই গ্রহগুলিকে নিয়ে আরও পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে চান মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। কারণ আগামিদিনে আরও দিগন্ত খুলে যেতে পারে এই আবিষ্কারের ফলে। আবিষ্কার হওয়া দুটি গ্রহকে পরীক্ষা করে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আয়তনে প্রায় এগুলি বৃহস্পতির সমান। শুধু তাই নয়, ওই দুই গ্রহ নিয়ে গবেষণায় প্রাণের অস্তিত্বও মিলতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা । সম্প্রতি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালে এউ সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্রও প্রকাশিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, আমেরিকা সহ বেশ কয়েকটি দেশের সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মিলে নতুন আবিষ্কৃত গ্রহ দুটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চালান। গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক অস্ট্রেলীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন কেন জানিয়েছেন, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্বের ক্ষেত্রে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্রের ভূমিকা রয়েছে। নতুন ওই গ্রহের ক্ষেত্রেও এমন কোনও বিষয় থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। হয়ত সেখানেই প্রাণের অস্তিত্ব থাকার মতো পরিবেশ রয়েছে অথবা অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের ব্যাপারে তাদের ভূমিকা রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এই ব্যাপারে আরও বিস্তর গবেষণা ও তথ্য-প্রমাণ প্রয়োজন। জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন কেন আরও বলেন, সৌরজগতের বাইরে অনেক গ্রহ-নক্ষত্রে জলের উপাদান থাকার লক্ষণ দেখা গিয়েছে। তবে সেখানে প্রাণীর বসবাসযোগ্য পরিবেশ আছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।নতুন এই দুই গ্রহ সে ক্ষেত্রে গবেষকদের জন্য নতুন আশার সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।