রাজ্যের কৃষকদের জন্য ২১৫ কোটি আতিরিক্ত বরাদ্দ চাইলেন কৃষি মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়

 ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন :
দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত  দেশের বিভিন্ন রাজ্যের কৃষি মন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগদান করেন ত্রিপুরার কৃষি মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি সম্মেলনে রাজ্যের কৃষি ও কৃষকদের কল্যাণে অতিরিক্ত ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবী জানান।
TRIPURA PUBLIC OPINION.COM

নমিনেশন জমা করলেন  বিজেপি প্রার্থীরা

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন,উদয়পুরঃ

গোমতী  জিলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা শাসক (আর ও) ডক্টর টিকে দেবনাথের নিকট  নমিনেশন জমা করলেন  বিজেপি প্রার্থীরা। মন্ত্রী প্রনজিৎ  সিংহ রায় দলীয় কর্মী সমর্থক নিয়ে বিশাল মিছিল করে মোট ১৩ টি আসনে এদিন মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তারা।

TRIPURA PUBLIC OPINION.COM

নমিনেশন দাখিল করলো বাম কংগ্রেস ও নির্দল প্রার্থী

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন, উদয়পুরঃ গোমতী  জিলা পরিষদ নির্বাচনে নমিনেশন দাখিল করলো বিরোধী বাম কংগ্রেস ও নির্দল প্রার্থী। মোট ১৩ টি আসনে বাম ১৪ টি,কংগ্রেস ৬টি আসনে এবং নির্দল, আমরা বাঙালি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট ১ টি  করে আসনে  মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছে। যদিও  ইতিমধ্যে আমরা বাঙালি রাজ্য ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন  থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাফিক অব্যবস্থা,নিষ্ক্রিয় দপ্তর !    

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন:৯-৭-১৯  

ট্রাফিক দপ্তরের সৌজন্যে উদয়পুর শহরে যানজট চরম আকার ধারন করেছে। জাতীয়  সড়ক প্রশস্ত হয়েছে ফলে ব্রিজ কর্নার, রাজারবাগ  মোটরস্ট্যান্ড ও রমেশ চৌমুহনীর  ট্রাফিক শেডগুলি উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে জাতীয় সড়কের এই ব্যস্ততম এলাকার  ট্রাফিক ব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে। ট্রাফিক শেডগুলি ভেঙ্গে ফেলার কারনে ট্রাফিক কর্মীদের এখন খোলা আকাশের নিচেই ডিউটি করতে হচ্ছে। তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রি প্রদানের কোন উদ্যোগ নেই দপ্তরের। ফলে রৌদ্র-বৃষ্টি থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে কখনো যাত্রী শেড কখনো গাছের নিচে বা পার্শ্ববর্তী দোকানের চালের নিচে দাঁড়িয়েই অধিকাংশ সময় কর্তব্যকর্ম পালন করতে ওনাদের দেখা যাচ্ছে। এতে করে এই তিনটি ব্যস্ত চৌমুহনী এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার অব্যবস্থা কায়েম হয়েছে। এলোপাথাড়ি চলছে যানবাহন। মোটর বাইকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অটো দৌরাত্ম। এতে প্রত্যেকদিন ঘটছে দুর্ঘটনা। পথচারীদের দুর্ভোগও বেড়েছে। তাছাড়া শহরের বাজার এলাকা বিশেষ করে সেন্ট্রাল রোড, নিউ টাউন রোড দিয়ে হকার ফুটপাত দখল করে রেখেছে ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে । ট্রাফিক বিভাগের দুর্বলতার সুযোগে একসময় পুর পরিষদ ও ট্রাফিক বিভাগের যৌথভাবে করা    নির্দিষ্ট নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে স্কুল-অফিস টাইমে পণ্যবাহী গাড়ি সেন্ট্রাল রোড ও নিউটাউন রোড দখলে নিয়ে নেয়। সাম্প্রতিক মূল শহরে যানজট সমস্যা এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে এতে উদয়পুর ট্রাফিক দপ্তরটির আদৌ কোন অস্তিত্ব রয়েছে কিনা সাধারন জনগণ এখন এই প্রশ্নটাই করছে। যদিও ট্রাফিক দপ্তরের নিষ্কর্মা বাবুদের এনিয়ে কোন হেলদোল নেই। ফলে বাধ্য হয়ে দীর্ঘ এই ক্ষত উপশমে নাগরিকদের একটা অংশ স্থানীয় বিধায়ক তথা পরিবহণ মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় এবং জেলা শাসকের হস্তক্ষেপের দাবী তুলছেন।    

রোগীর মৃত্যুতে গোমতি জেলা হাসপাতালে ধুন্দুমার কান্ড

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন : 
গোমতি জেলা হাসপাতালে লাইগেশন করাতে গিয়ে চিকিৎসকের হাতে মৃত্যু  হলো  ৩৫ বছর বয়সী  এক গর্ভবতী মহিলার।  মৃত  মহিলার নাম সোমা নমঃ দাস। বাড়ি  উদয়পুর  ১নং ফুলকুমারী এলাকায় ।  সূত্রের খবর, ডাক্তারের গাফিলতির ফলেই ওই মহিলার মৃত্যু হয় ।  এবং তাৎপর্যপূর্ন বিষয়  হচ্ছে মৃত মহিলার স্বামী  বিশ্বজিৎ দাস করণিক পদে এই  হাসপাতালেই কর্মরত। সোমা পাঁচ মাসের অন্ত:সত্তা ছিলো এবং তার  দুই মেয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার দিন অর্থাৎ শুক্রবার মহারানী হাসপাতাল থেকে  গোমতী জেলা হাসপাতালে নাকি উনিশ  জন মহিলাকে  লাইগেশনের জন্যে আনা হয়।  লাইগেশন করানোর আগে যাবতীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ওটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন  বিকেল তিনটে নাগাদ সোমার ডাক পড়ে।  অজ্ঞানের ডাক্তার ( এনেস্থেসিয়ান) ডঃ প্রদীপ জমাতিয়া FORTWIN ও PHENANGAL নামক দুটি ইনজেকশন পুশ করেন ।  তারপর  অপারেশনের জন্য  ডঃ তানি ভট্টাচার্য মহিলার গোপনাংঙ্গে বায়ু প্রবেশ করতে গেলেই মহিলা ঘনঘন খিঁচুনি দিতে থাকে এবং  হৃদষন্ত্রে যন্ত্রনা বোধ করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই চিকিৎসারত অবস্থায় ওই মহিলা অপারেশনের  টেবিলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন। সিনিয়র ডাক্তারদের অভিমত দুটি কারনে রোগী মৃত্যু   হতে পারে । প্রথমত ওই ইনজেকশন ভুল ভাবে বা অধিক  পরিমাণে পুশ করে থাকলে।  অন্যথায়  সার্জারি করার সময় গোপনঙ্গে বায়ু প্রবেশের জটিলতার জন্য। সুত্র মারফত্  জানা যায়, অপারেশন করার জন্য  যে ডাক্তার  নিয়োজিত ছিলেন  ওনার  নাম ডঃ তানি ভট্টাচার্য। ওনার বয়স আনুমানিক  পঁয়ষট্টি বৎসর।ষাট বছর চাকরির শেষে ওনাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিন বছরের জন্যে পুনর্নিয়োগ করেছিলো। পুনর্নিয়োগের সময় পেরিয়ে  আরো অতিরিক্ত দুবছর  হয়ে গেলেও  তাকে দিয়েই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ  কোন ক্রমে  দিনের পর দিন অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ পনেরো জনের লাইগেশন করানো হয়েছিল । সোমা  ষোল নম্বরের লাইগেশানের রোগী ছিলো। প্রায় পঁয়ষট্টি বছর  বয়সী  ডাক্তার কে দিয়ে এই রকমের  জটিল  অপারেশন  সম্ভব কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছী । রোগীর  আত্মিয় পরিজনরা  সোমার মৃত্যুর পরেই হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তৈরী করতে থাকে। পোস্ট-মরটেমের পর সোমার মৃত দেহ আত্মীয় পরিজনের হাতে তুলে দিলেও পরিস্থিতি শান্ত হয় নি। বুদ্ধিজীবি মহল এই ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি করেছে। সোমার অকাল মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই মহারানী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

‘উদয়পুর পুরপরিষদের ১৯ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন  উদয়পুর: শুক্রবার উদয়পুর পুর পরিষদের ১৯ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে রাজর্ষি প্রেক্ষাগৃহের ফটকের চারপাশে খালি জায়গায় বৃক্ষ রোপন করা হয়। বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন পরিবহন ও কৃষি দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। তাছাড়া পুর পিতা শীতল চন্দ্র মজুমদার,ভাইস চেয়ারম্যান অনুপম চৌধুরী ও অন্যান্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরগন । এদিন বৃক্ষ রোপনের পাশাপাশি এই এলাকার রোপন করা পুরনো চারা গাছ গুলিকে আগাছা মুক্ত করা হয়েছে । উল্লেখ্য এ বছর জুনের শুরু থেকেই রাজ্যের সঙ্গে গোমতি জেলা উদয়পুর মহকুমাতেও ব্যাপক পরিমান বৃক্ষ রোপনের উদ্যোগ নেওয়া হয় । এবছর ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রাকলগ্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বৃক্ষ রোপনে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান । আর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রত্যেকদিন রাজ্যে চলছে বৃক্ষ রোপন । সাম্প্রতিক গোমতি জেলার বাগমা কড়ইমুড়া থেকে শুরু করে উদয়পুর কাকড়াবন পর্যন্ত রাস্তার ধারে ছয় হাজার পাঁচশো চারা রোপন করা হয়েছে । তবে বেশ কিছু সংখ্যক গাছ নষ্ট হয়ে গেছে বৃষ্টির অভাবে । কিছু কিছু কান্ডজ্ঞানহীন লোকেরা আবার রাস্তার গাছ বাঁশের খাঁচা সহ তুলে নিয়ে নিজেদের বাড়িতে বন সৃজন করছেন । অথচ দফতর ডেকে ডেকে চারা বন্টন করছে । এখন সচেতন মহলের বক্তব্য , রাস্তার ধারে চারা গাছগুলি সচেতন ভাবে একটু দেখভাল করলে সবগুলি সবুজ মহিরুহে রূপান্তরিত হতে পারতো । এখন দপ্তরকে এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিৎ।

উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম উচচতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী পুনর্মিলনী উৎসবঃ ০৪-০৭-১৯

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়নঃ উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম উচচতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী পুনর্মিলনী উৎসব এ বছর তৃতীয় বর্ষে পদার্পন করতে চলেছে । এ উপলক্ষে প্রাক্তনীরা বুধবার বিকেল 5 টায় বিদ্যালয়ের  কনফারেন্স হলে এক  প্রেস মিটের আয়োজন করে । প্রাক্তনী পুনর্মিলনী উৎসব  কমিটির সম্পাদক অংকুর সাহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাজর্ষি প্রেক্ষাগৃহে ১২ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই দু’দিন চলবে মূল অনুষ্ঠানটি। আগামী সাত জুলাই থেকে নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে  শুরু হতে যাচ্ছে প্রাক্তনি পুনর্মিলন উৎসব ২০১৯। এদিন প্রেস মিটে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হারাধন সাহা এবং পুনর্মিলনী কমিটির সভাপতি সাগর দে, সহ সভাপতি মৈত্রী মজুমদার সহ সম্পাদিকা পল্লবী দত্ত, সিনিয়র ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে বিদিশা মাজুমদার সহ আন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

”রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে পারলেই  প্রকৃত অর্থে কৃতি হওয়া সম্ভব”-মন্ত্রী প্রনজিৎ

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন :২-৭-১৯
তোমরা পরিশ্রম করে মাধ্যমিক ও উচচ মাধ্যমিকে ভালো ফল করেছো । উদয়পুরের নাম উজ্জ্বল করেছো তোমরা । তাই তোমাদের প্রতি অন্তর থেকে আশীর্বাদ ও শুভকামনা । জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে হবে তোমাদের। তবে মনে রেখো জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সেই  মানুষগুলির জন্য যদি পেছন  ফিরে না তাকাও তাহলে এ সমাজ তোমাকে অকৃতজ্ঞ হিসেবেই মনে রাখবে। আর উচচ শিক্ষিত হয়ে তোমরা  দেশ ও দশের সেবায় যদি জীবন উৎসর্গ করতে পারো তবে এ সমাজ এ দেশ ও তার ইতিহাস তোমাদের যুগ  যুগ ধরে  মনে রাখবে। সোমবার বিধান শিশু উদ্যান মেধা অন্বেষা উদয়পুর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পর্যটন পরিবহন ও কৃষি মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় আবেগপ্রবন কন্ঠে এ কথাগুলিই উচ্চারন করেছেন। টাউন হল তখন ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক অভিভাবকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ন। তিনি বলেন, অনেক মেধাবীরা পড়াশুনার বাইরে অন্য কোন খবরাখবর  রাখেনা। এটা হওয়া উচিৎ নয়। পড়াশুনা ছাড়াও নিজের চারপাশের খোঁজ খবর রাখতে হবে। এলাকার  কোন মানুষ  সমস্যায় পড়লে তাকে সাহায্য করতে হবে। এটাও কিন্তু  ছাত্র সমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য ।একথা ভুলে গেলে চলবেনা।এদিন বিশেষ অতিথির ভাষনে ডক্টর অলক ভট্টাচার্য্য বলেন,  মাধ্যমিক এবং উচচ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করায় তোমাদের কৃতি সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু এখনই তোমাদের কৃতি বলা উচিৎ হবে না এমনটাই মনে করেন । এ প্রসংগে তিনি বাংলার  প্রথিতযশা ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের  প্রসংগ টেনে বলেন বিধানচন্দ্র রায় কখনো একজন পেশাদার ডক্টরের মত কর্মজীবনে নিজেকে আবব্ধ রাখেন নি।  বাংলার সাধারন মানুষের পাশাপাশি তৎকালীন বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের চিকিৎসায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। শুধু অর্থ উপার্জন জীবনের লক্ষ্য হওয়া কাম্য নয় এটা ডক্টর  বিধানচন্দ্র রায় মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন  করে  গেছেন । এদিন  উদাহরনের মাধ্যমে  তিনি হলে উপস্থিত কৃতি সহ সকল   ছাত্র ছাত্রীদের আগামী দিনে প্রকৃত মানুষ হওয়ার উপর জোর দেন। এবং কৃতীদের উদ্দ্যেশে বলেন, তোমাদের সফলতার নেপথ্যে শুধু মা বাবা শিক্ষকেরই নয় এই রাষ্ট্রের, এই সমাজেরও সমান ভূমিকা রয়েছে । তাই সেদিনই তোমরা সত্যি অর্থেই কৃতি হবে যখন তোমরা এ দেশ ও জাতির উন্নয়নে তুমি তোমার সবটা নিংড়ে দেবে। তখনই এ সমাজ তোমাকে স্থায়ী অর্থে কৃতি বলে মেনে নেবে । বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে  কবি গুরুর বঙ্গমাতা  কবিতার উদ্বৃতি টেনে বলেন, সাতকোটি সন্তানের মুগ্ধ জননী রেখেছো আমাদের  বাংগালী করে কিন্তু মানুষ করোনি। তিনি আরও বলেন,  আজ আমরা আক্ষরিক অর্থে শিক্ষা দীক্ষায় উন্নত জাতি কিন্তু প্রকৃত অর্থে মানুষ কজন হতে পেরেছি। পড়াশুনা করে অর্থ উপার্জন আর শুধু নিজের বড়জোর পরিবারের মধ্যেই চিন্তাধারায়  আবদ্ধ হয়ে থাকি। আর আজকালকের মাতা পিতার সন্তান সন্ততিদের প্রতিযোগিতার দৌড়ে নামিয়ে দিয়ে তাদের  মধ্যে সংকীর্নতার বীজ বপন করছে। তাই মা বাবাকে আগে দেশ ও সমাজ নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এদিন কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের উদয়পুর শাখার কনভেনার  স্বপ্না দাস গুপ্তা স্বাগত ভাষনে বিধান শিশু উদ্যানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কর্মকান্ড বিস্তৃত আলোচনা করেন। মূলত ”দারিদ্র্যকে করি না ভয় আমরা করবো জয়” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার উদয়পুর টাউন হলে উদয়পুর মহকুমার অন্তর্গত আশি শতাংশের উপর নম্বর পাওয়া কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের পাশাপাশি মহকুমার দুই মেধাবী দিব্যাঙ্গন ছাত্র যথা প্রলয় দে এবং সৌরভ গাঙ্গুলী সহ এবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম দশে স্থান করা উদয়পুরের ছয় জন কৃতি ছাত্র ছাত্রীদেরকে  সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কৃষি পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ, উদয়পুর পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অনুপম চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবী পদ্ম মোহন জমাতিয়া, বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবী সমীর চক্রবর্তী, বিধান শিশু উদ্যান মেধা অন্বেষার রাজ্য সভাপতি মনোজ রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মহকুমার  বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী মহলের উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্যণীয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে উদয়পুর মহকুমার মোট ছাব্বিশ জন কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের হাতে মানপত্র, স্মারক এবং নগদ এক হাজার টাকা অর্থরাশি প্রদান করা হয়। সামাজিক সংগঠনের এই ধরনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে  সাধুবাদ জানিয়েছেন।

প্লাস্টিক বর্জ্য মুক্ত ত্রিপুরার লক্ষ্যে পিত্রা স্কুলের উদ্যোগ অনুকরণীয়।

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিওন, উদয়পুরঃ প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের জন্য ভয়ংকর বিপদ। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই এগিয়ে এসেছে পিত্রা উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। পড়াশুনার পাশাপাশি প্রত্যেক শিশুকে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতার পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষন থেকে পরিবেশকে রক্ষার কাজে এগিয়ে এসেছেন বিদ্যালয়ের প্রবীন শিক্ষক তপন ভট্টাচার্য্য । ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ভাবনাকে মাথায় রেখে গত ৩রা জুন থেকে পরীক্ষামূলক ভাবে গত এক মাস যাবৎ বিদ্যালয়ের শুধুমাত্র ষষ্ঠ শ্রেণীর আটষট্টি  জন ছাত্র-ছাত্রীকে কাজে লাগিয়ে প্লাস্টিক দূষন রোধে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেন তিনি। সে অনুযায়ী প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী বাড়ির অব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল, পলিব্যাগ, চিপসের প্যাকেট, তেলের প্যাকেট সহ দৈনন্দিন ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক সামগ্রি এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ী বা দোকান থেকে অব্যবহৃত প্লাস্টিক এনে নিজের বাড়ীতে জমা করে রাখে। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনের লেইজার পিরিয়ডে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে এগুলো তপন বাবু ওজন করে বিদ্যালয়ে জমা করেছেন। দেখা গেছে, একমাসেরও কম সময়ে,শুধু মাত্র একটি ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের সংগ্রহ প্রায় এক কুইন্টালের মত প্লাস্টিক বর্জ্য। ইতিমধ্যেই বিদ্যালয়ের অন্যান্য ক্লাস গুলিকেও এই প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান ওই স্কুলের শিক্ষক দেবাশিস দাস। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যদি শুধুমাত্র একটি ক্লাসের উদ্যোগে একমাসেরও কম সময়ে পিত্রার মত গ্রামীণ এলাকায় এক কুইন্টাল প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ হয়ে থাকে,তবে বিদ্যালয়ের বাকি সব ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের যুক্ত করলে ওই এলাকা থেকে কি পরিমান প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ হবে, তা সহজেই অনুমেয়। সমীক্ষা করে দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রায় নব্বই শতাংশ পরিবারেই কোন না কোন ক্লাসে পাঠরত ছাত্র ছাত্রী আছে।একই পদ্ধতিতে তাদের প্রত্যেক পরিবারের প্লাস্টিক বর্জ্য যদি সংগ্রহ করা যায়,তাহলে অচিরেই পিত্রা এলাকাটিকে প্লাস্টিক দূষন মুক্ত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং এই প্রকল্পের পুরোধা ব্যাক্তিত্ব তপন ভট্টাচার্য  পুনঃ প্রক্রিয়াকরনের সাথে যুক্ত ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতি এই প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করতে আহ্বান রেখেছেন। পাশাপাশি তারা রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন ত্রিপুরাকে প্লাস্টিক মুক্ত করার প্রশ্নে এই উদ্যোগটির গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে যেন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয় । 

 উদয়পুর বার এসোসিয়েশনের  নির্বাচনে বামেরা পরাজিত

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়নঃ উদয়পুর,৩০-৬-১৯

রবিবার উদয়পুর জেলা বার এসোসিয়েশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । নির্বাচনে বাম প্যানেলকে পরাস্ত করে পুনরায় জয়লাভ করলো বিজেপি প্যানেলের প্রার্থীরা। মোট বারোটি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই বারোটি পদেই বিজেপির প্রার্থীরা জয়লাভ করে নিজেদের একাধিপত্য কায়েম রেখেছে বলা যায় । এদিন সবচেয়ে বেশী ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন জেলা বার এসোসিয়েশনের বিদায়ী সম্পাদিকা সুমন্তা চক্রবর্তী। এরপর গঠিত হয় বার এসোসিয়েশন এর নতুন জেলা কমিটি। কমিটির সভাপতি সম্পাদিকা এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন যথাক্রমে শেখর দেব, সুমন্তা চক্রবর্তী, কুন্তল দাস। সহ সভাপতি হিসেবে অদিতি সরকার ও সহ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ। এদিন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা বার এসোসিয়েশনের সদস্য সদস্যাদের মধ্যে দারুন উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। রবিবার অনুষ্ঠিত জেলা বার এসোসিয়েশনের নির্বাচনে তিনজন বরিষ্ঠ আইনজীবী গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন। 

আকর্ষণীয় ভাবে গড়ে  ওঠছে   শিশু পার্ক

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়নঃ

উদয়পুর পুর এলাকার পার্কগুলির ভগ্ন দশা দূর করতে এবার হাত দিয়েছে বর্তমান নব গঠিত পুর পরিষদ।  শহরের গুরুত্বপূর্ন পার্কটির সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ। 
পুর অফিস সংলগ্ন শিশু উদ্যানটি শহরের প্রানকেন্দ্রে,অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় । অভিবাবকরা  তাদের শিশুকে নিয়ে এই পার্কটিতে  সময় কাটাতে পছন্দ করেন ।  সমস্যা হচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে শিশু উদ্যানটিতে প্রকৃতির সবুজ ঘাসের মধ্যে পুরাতন   কয়েকটা সামগ্রী ব্যতীত নতুন করে কোন বিনোদন মূলক শিশু সামগ্রীর ব্যবস্থা করেননি পূর্বতন পুর  পরিষদ ।  বিগত দিনে শিশুদের বিনোদনের লক্ষে একটা জলের ফোয়ারা বসানো হয়েছিলো কিন্ত  পুর পরিষদের খামখেয়ালির ফলে কয়েক মাস পরই  এটা নষ্ট হয়েযায় ।
অতীতে মন্ত্রী মহোদয়গণ প্রতি বছর শিশু উৎসবে ফিতে কাটতে আসতেন তবে  শিশু পার্কটির দিকে কখনো  ফিরে তাকাননি । ওনারা মঞ্চ আলোকিত করে শিশু উৎসবে  শিশুদের নিয়ে  কথা কম বরং  বিপ্লবী ভাষনে পারদর্শীতা দেখাতে একটু বেশি পছন্দ করতেন। ফলে নামকাওয়াস্তে ছিলো শিশু পার্ক।  বিবর্ন  কয়েকটা মাটির তৈরী ছোট ছোট  হাতি ঘোড়া একটা লোহার তৈরী প্রদর্শনমূলক ডায়নোসর আর দোলনা  ব্যাস।  সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় বিধায়ক তথা নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের পর্যটন  মন্ত্রী শিশু উৎসব মঞ্চ থেকে  ঘোষনা দেন শিশুদের জন্য পার্কটিকে আধুনিক শিশু সামগ্রী দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে ।  গতানুগতিক   রাজনৈতিক  বক্তব্য থেকে দূরে থেকে  শিশুদের কিভাবে ঘর থেকে বাইরে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম করা যায় এ বিষয়ে তিনি জোর দিয়েছিলেন সেদিন ।  মন্ত্রীর বক্তব্যের  ঠিক একশো দিনের মাথায় শিশু উদ্যানটি নতুন ভাবে সাজিয়ে তুলতে ময়দানে নেমেছে পুর কর্তৃপক্ষ ।  একাজে চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র  মজুমদারের পাশাপাশি ডেপুটি অনুপম চৌধুরী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে শিশুদের জন্য এই পার্কে আকর্ষনীয় কিছু উপহার দিতে আপ্রান  চেষ্টা চালিয়েছেন ।বর্তমান  পুর কর্তৃপক্ষ চাইছে পরিকল্পিত এবং  দূরদর্শীতা নিয়ে কাজ করা । যাতে  সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা যায়  তেমনি মূল লক্ষ্যও  সাধিত  হয়।

 স্মার্ট সিটি প্রকল্পে উদয়পুর সহ গোমতী জেলা পাচ্ছে ২৫০ কোটি !

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়নঃ

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক আগরতলা সদর পশ্চিম জেলা বাদে বাকি সাতটি জেলাকে  স্মার্ট সিটি প্রকল্পে উন্নয়নের জন্য  ১৬৫০ কোটি  টাকা  দেওয়ার কথা  ঘোষনা দিয়েছে। এতে গোমতী জেলা সদর উদয়পুর নগর উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক পরিবহণ,  থেকে শুরু করে পরিবেশ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক সুরক্ষা সহ নানা বিষয়ে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে। তবে  যেহেতু কেন্দ্রিয় প্রকল্প সেখানে স্থানীয় নগর বা পুর পরিষদ বা স্থানীয় মন্ত্রী বিধায়কের ভূমিকা কতটা থাকবে সেটা লাখ টাকার প্রশ্ন। উদয়পুর সহ গোমতী জেলার ভাগে পড়বে মোট ২৫০ কোটি টাকা। আর সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার হলে পরেই উন্নয়ন চোখে পড়বে।

মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের উপস্থিতিতে  বঙ্কিম চন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায়কে স্মরন  গোমতি জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন, উদয়পুর :

সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায়ের ১৮২ তম জন্ম জয়ন্তী পালন করলো গোমতি জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। এ উপলক্ষে উদয়পুর টাউন হলে ২৮ জুন সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্কিম চন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায়ের উপর আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উদ্ভোধন করেন পর্যটন , পরিবহন ও কৃষি দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় । প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ভারত সরকারের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রকের গবেষক ডক্টর দেবাশিষ মুখার্জী । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুর পিতা শীতল চন্দ্র মজুমদার । মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, অতীতে বিশ্বকবি  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,নজরুল ইসলাম ও সুকান্ত ভট্টাচার্য কে স্মরন করা হলেও বন্দেমাতরম মন্ত্রের জনক সাহিত্যিক বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রশ্নে  ওনারা বিস্মৃত ছিলেন। তিনি বাম বিধায়কদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বিধান সভায় এখনো ওনারা জাতীয় সংগীত ‘ জনগণ মন অধিনায়ক জয় হে ‘গান গাওয়ার সময় মুখ বন্ধ করে রাখেন।তবে তিনি বলেন,এই প্রথম সাহিত্য সম্রাটকে স্মরন করছে রাজ্য সরকার।বঙ্কিম চন্দ্র সম্পর্কে এদিন বিস্তৃত আলোচনা করেন প্রধান বক্তা ডক্টর দেবাশিষ মুখার্জী। তিনি বঙ্কিম আবির্ভাব তিথি নিয়ে বিতর্কে জল ঢেলে দিয়ে বলেন বঙ্কিম চন্দ্রের মত মহাপুরুষদের আবির্ভাব সময়কালের গন্ডির মধ্যে আব্দ্ধ নেই। যারা দেশকে ভালোবাসেন বঙ্কিমকেও ভালো বাসবেন। তিনি বলেন বন্দেমাতরম ভারত মাতার বন্দনাকে বোঝায়। তিনি উপস্থিত  সকলকে  বন্দেমাতরম ধ্বনির প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করে দেশের বন্দনা করতে আহ্বান জানান ।   এদিন ত্রিশ মিনিট শ্রী দাস বঙ্কিম চন্দ্র সম্পর্কে দারুনভাবে বিস্তৃত তুলে ধরেন। বক্তব্য রাখেন পুর পিতা শীতল চন্দ্র মজুমদার।এদিনের অনুষ্ঠানে  সভাপাতিত্ব করেন গোমতি জেলা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি পদ্ম মোহন জামাতিয়া। উল্লেখ্য,সাহিত্য সম্রাট তথা বন্দেমাতরম মন্ত্রের রচয়িতা বঙ্কিম চন্দ্রের আবির্ভাব দিবস সম্ভবত এই প্রথম রাজ্যে তথা গোমতি জেলায় পালিত হয়েছে । 

 TRIPURA PUBLIC OPINION.COM
 

 ২৭শে জুলাই রাজ্যের ত্রি-স্তর পঞ্চায়েত ভোট 

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়নঃ  নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের  দিনক্ষন ঘোষণার সাথেই প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দলগুলির তৎপরতা শুরু। ২৭ জুলাই  ৫৯১ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩৩৯২ টি ওয়ার্ডের ৬১১১ টি আসনে,৮ টি জিলা পরিষদের ১১৬ টি আসনে এবং পঞ্চায়েত সমিতির ৪১৯ টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৮ই জুলাই, স্ক্রুটিনি ৯ জুলাই এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১১ জুলাই।

অনিক সামাজিক সংস্থার উদ্যোগে প্রত্যন্ত গ্রামে মশারি ও আন্যান্য সামগ্রি বিতরন

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন,উদয়পুরঃ

উদয়পুর শহর থেকে প্রায় বিশ কিমি দূরে দক্ষিন বড়মুড়ার  পুষ্কুরিণী বাড়ি  প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। যেখানে  পঞ্চাশ থেকে ষাট পরিবারের বসবাস। আর তাদের  মশার কামড় থেকে বাঁচাতে  প্রত্যেক পরিবারের হাতে একটি করে মশারি তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় অনিক সামাজিক সংস্থা । এই এলাকাটি ম্যালেরিয়া প্রবন । প্রায় প্রতি বছর ম্যালেরিয়ার থাবায় আক্রান্ত হতে হয় শিশু কিংবা বয়স্ককে । অনেক সময় মশাবাহিত রোগে জীবনহানিও ঘটে থাকে । এখন বর্ষা মরশুম । মশার উপদ্রব বাড়ছে । তাই মশার কামড়ের  হাত থেকে সে সকল দরিদ্র পরিবারকে সচেতন করতে একটি শিবির আয়োজন করে ওই সংস্থাটি । এবং পরিবার পিছু এদিন  একটি করে মশারি তুলে দিয়েছেন উপস্থিত সদস্যরা । সংস্থার এই উদ্যোগে খুশি ওই সকল দরিদ্র পরিবার সহ শুভবুদ্ধি সম্পন্ন লোকজন ।

সাব্রুমে প্রথম বার পৌঁছল রেলের ইঞ্জিন,জনতার প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনা

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন প্রতিবেদনঃ

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সাব্রুমে প্রথম বার পৌঁছল রেলের ইঞ্জিন। রবিবার মাঝরাতে পরীক্ষা মূলকভাবে চালানো ইঞ্জিনটি পৌঁছলে সেটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসাহী সাব্রুমবাসী। খুব শীঘ্রই শুরু হবে বিলোনিয়া-সাব্রুম যাত্রীবাহী রেল চলাচল রেলের পরিষেবা থেকে দীর্ঘকালবঞ্চিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরার মানুষ। পথের পাঁচালীর অপু-দুর্গার মতোই,সাব্রুমের মানুষের কাছে ট্রেন দেখার ভাবনা ছিল স্বপ্নের মতো। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হল স্বপ্নপূরণ। রবিবার সাব্রুমের সদ্য নির্মিত প্ল্যাটফর্মে পৌঁছল প্রথম ইঞ্জিন। বিগত আট-নয় বছরে ত্রিপুরার রেল পরিষেবা অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে। ২০০৭-০৮ সালের বাজেটে প্রথম আগরতলা-সাব্রুম রেললাইন প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। ত্রিপুরায় মোট জেলার সংখ্যা ৮টি। তার মধ্যে চারটি জেলার উপর দিয়ে বসানো হয়েছে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার রেললাইন। সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘ব্রড গেজ’ হয়েছে ত্রিপুরার রেললাইন। রেলপথে সারা দেশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ত্রিপুরা। তা সত্ত্বেও গোটা দেশের নিরিখে ত্রিপুরার রেলপথ ছিল বেশ পিছিয়ে। তার মূল কারণ দক্ষিণ ত্রিপুরায় পর্যাপ্ত রেললাইনের অভাব। রেলপথে যাতায়াত কার্যত স্বপ্ন ছিল দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বাসিন্দাদের। 

২০টি স্কুলকে আগামী ৫ বছরের জন্য ইসকনের হাতে তুলে দেবার সিদ্ধান্ত নিলো রাজ্য সরকার

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন রিপোর্টার :  ২০টি স্কুলকে ইসকনের হাতে তুলে দেবার সিদ্ধান্ত নিলো রাজ্য সরকার। শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ শুক্রবার একথা ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের ১৩টি স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে এবং ১৪৭টি স্কুলে গড়ে ১০জন করে ছাত্র আছে। ত্রিপুরায় বর্তমানে ৪৩৮৯টি সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুল আছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই রাজ্যের ২০টি স্কুলকে ইসকনের হাতে তুলে দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ২০টি স্কুলের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১৩টি স্কুল ছাড়াও আরও ৭টি স্কুল আছে, যেসব স্কুলে গড়ে সর্বাধিক ১০ জন করে ছাত্র আছে। মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে দাবি করা হয় ধর্মীয় সংস্থা ইসকন এই স্কুলগুলিতে পঠন পাঠন চালানোর দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছে।শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ জানিয়েছেন, ইসকন পরিচালিত ইন্ডিয়ান ট্রাইবাল কেয়ার ট্রাস্ট এই স্কুলগুলো পরিচালনা করবে।বর্তমান সরকার রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন,ইসকনের পক্ষ থেকে রাজ্যের ৫৩টি স্কুলের দায়িত্ব চাওয়া হয়েছিলো। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ২০টি স্কুলকে আগামী ৫ বছরের জন্য ইসকনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ২০টি স্কুলের মধ্যে ৭টি করে স্কুল পশ্চিম ত্রিপুরা ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায়, সিপাহীজলা জেলায় ৩টি, খোয়াই জেলায় ২টি এবং গোমতী জেলায় ১টি স্কুল। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই সংক্রান্ত বিষয়ে ত্রিপুরা সরকারের সঙ্গে ইন্ডিয়ান ট্রাইবাল কেয়ার ট্রাষ্ট-এর চুক্তি সম্পাদিত হবে।

TRIPURA PUBLIC OPINION.COM
 
  

  রাজধানীতে মহিলা সাংবাদিককে ধাওয়া করে গুলি করল দুষ্কৃতীরা

ওয়েব ডেস্কঃ দিল্লিতে এক মহিলা সাংবাদিককে ধাওয়া করে গুলি করল দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রাজধানীতে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। শনিবার রাতে পূর্ব দিল্লির অশোক নগরের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিকের নাম মিতালি চান্দোলা। তিনি নয়ডায় কাজ করেন। রাত তখন প্রায় সাড়ে ১২টা। নিজের গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন মিতালি। তাঁর গাড়িকে অনুসরণ করছিল আরও একটি গাড়ি। হটাৎ সেটা মিতালির গাড়িকে ওভারটেক করে সামনে দাঁড়িয়ে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই গাড়িতে থাকা আরোহীরা পর পর দু’টি গুলি চালায়। প্রথম গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও দ্বিতীয় গুলিটি গাড়ির উইন্ডশিল্ড ভেদ করে মিতালির হাতে লাগে।মিতালি পুলিশকে জানিয়েছেন, হামলাকারীদের প্রত্যেকেরই মুখ ঢাকা ছিল। হামলাকারীরা প্রথমে তাঁর গাড়িতে ডিম ছোড়ে। গাড়ি থামানোর জন্য তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি গাড়ি না থামানোয় ওভারটেক করে হামলাকীরা পথ আটকে দাঁড়ায়। তার পরই গুলি চালায়।

উদয়পুর জগন্নাথ মন্দির উন্নয়ন কমিটি পুনর্গঠিত

 ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন রিপোর্টার,উদয়পুর :
এবছর রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে জগন্নাথ জিউ মন্দির নতুন আঙ্গিকে সেজে ওঠছে । আসন্ন রথযাত্রার পূর্বে রবিবার সন্ধ্যায় এক প্রস্তুতিমূলক সভা করা হয় । এদিন ওই সভায় জগন্নাথ মন্দিরের পুরাতন উন্নয়ন কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে নতুন উন্নয়ন কমিটি গঠন করা হয় । মোট ত্রিশজন সদস্যের উপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ মন্দির উন্নয়ন কমিটির বিদায়ী সভাপতি বিজয় রায় । এদিন আসন্ন রথযাত্রা উৎসব বিষয়ে সভায়  বিস্তৃত আলোচনা করা হয়। তারপর সর্ব্বসম্মত ভাবে গঠিত  নতুন কমিটির সভাপতি স্থানীয় বিধায়ক প্রনজিৎ সিংহ রায়, সম্পাদক  লিটন কর এবং কোষাধ্যক্ষ মনোনীত  হয়েছেন দেবব্রত লোধ ।
TRIPURA PUBLIC OPINION.COM 

গোমতী জেলা হাসপাতালে দমবন্ধকর অবস্থায় রোগী ভোগান্তি চরমে ! 

ত্রিপুরা পাবলিক ওপিনিয়ন রিপোর্টার,উদয়পুর : গোমতি জেলা হাসপাতালে নারকীয় যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ রোগী এবং রোগীর পরিবার । অসহ্য গরমে  চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসা রোগীর হাঁসফাঁস অবস্থা । গত কয়েকদিন ধরে পানীয় জল, লিফ্ট বিকল সহ নানা সমস্যায় ভুগছে রোগী ওতাদের  পরিবারের লোকজন । প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার  প্রশ্নে দফতর উদাসীন । তাছাড়া গোমতি জেলা হাসপাতালে রোগীর ভিড়ে মেঝে পা রাখার জায়গাটুকু নেই। মেডিসিন বিভাগটিতে গরমে দমবন্ধকর পরিবেশ বিরাজ করছে। শিশু বিভাগটির  অবস্থা শোচনীয় । নবজাতকরা জন্মের পর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পৃথিবীর আলো নির্মল বায়ু থেকে এককথায়  বঞ্চিতই থাকছে। আর পরিছন্নতা নিয়ে না বলাই শ্রেয়। এই অবস্থায় বাম আমলের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে রাম আমলের নেতা মন্ত্রীদেরকে অনেক ঘাম ঝরাতে হবে। কিন্তু সর্বোপরি যে বিষয়টি তা হলো অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেয়নি বিগত সরকারের নিষ্কর্মা নেতা আমলাগন। তৎকালীন  সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী জেলা হাসপাতালের মতো এতবড়  একটি গুরুত্বপূর্ন কাঠামো নির্মানের প্রশ্নে সাধারন উপলব্ধিটুকু কাজে লাগাতে পারেননি এমনটাই রোগী পরিবার পরিজনদের বক্তব্য ।  

জিবীত ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠিয়ে দিল ডাক্তার !
বিশেষ প্রতিবেদনঃ
এমনটা সাধারণত সিনেমাতেই হয়। মৃত ঘোষণা করে দিয়েছিলেন চিকিৎসক । সারা রাত মর্গে কাটিয়ে সেই ব্যক্তি ‘জীবিত’ হয়ে ফিরে এলেন। তবে এটা কোনও চিত্রনাট্য নয়, বাস্তব ঘটনা। আর এই ঘটনা মধ্যপ্রদেশের এক হাসপাতালের। রাস্তায় অচেতন অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখে ৭২ বছরের কাশীরামকে মধ্যপ্রদেশের সাগরের বীণা সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বৃহস্পতিবার। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক  পুলিশকে একটি নোট পাঠায়, সেখানে লেখা হয় কাশীরাম মৃত। রাত ৯টা নাগাদ সেই নোট বীনা থানার পুলিশের হাতে আসে।

প্লেনের মধ্যে ঘুম ভাঙার পর যা দেখলেন একজন মহিলা যাত্রী

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

টিফানি অ্যাডামস নামে একজন মহিলা এয়ার কানাডার একটি বিমানে চড়ে কিউবেক থেকে টরোন্টো যাচ্ছিলেন। যাত্রা পথে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। হঠাৎ ঘুম ভাঙল প্রচণ্ড ঠাণ্ডায়। ঘুম থেকে উঠে দেখেন চারদিকে অন্ধকার। আশপাশে কেউ নেই! শুরুতে খুব ঘাবড়ে গেলেন। কি ঘটেছে সেটি বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগলো। যা বুঝলেন তা হল, বিমান অবতরণের পর বিমানের ক্রু ও বিমানবন্দরের কর্মীরা সকল ধরনের কার্যক্রম শেষ করে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে বিমানের ভেতরে আটকে রেখেই সবকিছু বন্ধ করে চলে গেছেন। টিফানি বলছেন ঘুম থেকে উঠে দেখেন তখনো তার সিটবেল্ট বাধা রয়েছে। বিমানের যাত্রা শেষ হওয়ার পর বিমান ত্যাগ করার আগে পুরো বিমানের সকল অংশ ভালো করে দেখে তবেই বিমানের কর্মীদের বের হওয়ার কথা। টিফানি অ্যাডামস বলছেন, বিমানটি টরোন্টো পেয়ারসন বিমানবন্দরে অবতরণের পর কয়েক ঘণ্টা ঘুমন্ত অবস্থায় বিমানে ছিলেন তিনি। সেটি রানওয়েতে পার্ক করা ছিল। পুরো বিষয়টা ধাতস্থ হওয়ার পর প্রথমে মোবাইল ফোন হাতড়ে বের করে সেটি দিয়ে এক বান্ধবীকে জানালেন তার অবস্থার কথা। কিন্তু কোন রকমে কথা শেষ করতেই ফোনের চার্জ চলে গেলো।  হাতড়াতে হাতড়াতে পৌঁছালেন ককপিটে। সেখানে একটি টর্চ-লাইট খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি। সেটি জ্বালিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ চেষ্টা করতে লাগলেন। যাত্রীদের সুটকেস আনা নেয়া করা হয় এরকম একটি ছোট গাড়ির একজন চালক হঠাৎ সেই আলো দেখে ভয়াবহ ভড়কে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। ততক্ষণে টিফানি অ্যাডামসের বান্ধবী ডেনা ডেল বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে সক্ষম হন। গত ৯ই জুনের এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এয়ার কানাডা জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। মিজ অ্যাডামস এই ঘটনার পর থেকে  রাতে ভয়াবহ দু:স্বপ্ন দেখেন বলে জানিয়েছেন।